PoK Situation Now: অবরুদ্ধ পাক-অধিকৃত কাশ্মীর, খাবার-ওষুধ পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না? PoK-তে যথেচ্ছাচার পাকিস্তান সরকারের

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কাশ্মীরে দমন-পীড়ন অব্যাহত। নাগরিকদের নিত্য প্রয়োজনের সামগ্রী পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ।

নয়াদিল্লি: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দমন-পীড়ন অব্যাহত। নাগরিকদের নিত্য প্রয়োজনের সামগ্রী পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। খাদ্যপণ্য থেকে ওষুধপত্র, উপত্যকায় কিছু ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। সরকার বিরোধী আন্দোলনে শামিল হওয়ার দরুণই এমন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। (PoK Blockade By Pakistan)

সরকার বিরোধী আন্দোলনে বেশ কিছু দিন ধরেই তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর। সেখানকার ১২টি আসন ভারতীয় কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। স্থানীয়দের দাবি, ওই সংরক্ষিত আসনকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে প্রভাব খাটায় পাকিস্তান সরকার, যাতে নিজেদের অনুগত সরকারই ক্ষমতায় আসীন হয়। (PoK Situation Now)

সেই নিয়ে লাগাতার ধর্না, বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছিল জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC)। তাদের সেই আন্দোলনকে দমন করতে সেনা নামানো হয়। গুলি চালানো হয় নির্বিচারে। এখনও পর্যন্ত তাতে উপত্যকার ৫৮ বাসিন্দা মারা গিয়েছেন বলে খবর। তবে সেখানেই থামেনি পাকিস্তান সরকার। এই মুহূর্তে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নিত্য প্রয়োজনের সামগ্রী ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, ইচ্ছাকৃত ভাবে খাদ্যসঙ্কট তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন: পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, নয়া ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের, তাহলে নাগরিক কারা? উঠছে প্রশ্ন

পাকিস্তান সরকার যদিও উপত্যকাকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সংবাদ সংস্থা AFP এবং BBC Urdu-ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সঙ্কটাবস্থা তুলে ধরেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রথমে JAAC বন্ধ ডেকেছিল। কিন্তু সাধারণ মানুষকে শাস্তি দিতে পাকিস্তান সরকার উপত্যকায় খাদ্যসামগ্রী, জ্বালানি, ওষুধপত্র-সহ নিত্য প্রয়োজনের কোনও জিনিসই ঢুকতে দিচ্ছে না। বিভিন্ন চেকপয়েন্টে আটকে দেওয়া হচ্ছে ট্রাক। রাওলাকোটে আন্দোলনকারীদের কাছেও রসদ পৌঁছচ্ছে না।

এমন পরিস্থিতিতে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বাজারহাট, ওষুধের দোকান, পেট্রোল পাম্প-সব বন্ধ রয়েছে। মুজফ্ফরাবাদ, রাওলাকোটের মতো কিছু জায়গায় দোকানপাট যাও বা খোলে, তাও সীমিত সময়ের জন্য। মুজফ্ফরাবাদের বাসিন্দা, ৬৪ বছর বয়সি মহম্মদ মসকিন জানিয়েছেন, রোজ যে ওষুধ খান তিনি, তা পাচ্ছেন না। সব বড় ওষুধের দোকানও বন্ধ।  সবর হুসেন নামের এক বাসিন্দা জানান, রেশন ফুরিয়ে আসছে বাড়িতে। টেনেটুনে কয়েক দিন চলতে পারে। ইখলাক আহমেদ পেশায় শ্রমিক। তিনি জানিয়েছেন, ৯ জুন থেকে এক পয়সাও আয় হয়নি তাঁর। 

আরও পড়ুন: উড়তে উড়তে হঠাৎ পাকিস্তানে ঢুকে পড়ল এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান, লাহৌর থেকে এল সতর্কবার্তা, তার পর…

ইতিমধ্যেই JAAC-কে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান সরকার। সন্ত্রাসদম আইনে ওই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে যেমন, বিরাট বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা নিজেদের অবস্থান থেকে সরতে নারাজ। মুজফ্ফরাবাদের দিকে তাঁরা মিছিল এগিয়ে নিতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। JAAC নেতৃত্ব জানিয়েছেন, ১ লক্ষ মানুষের মিছিল রাওলাকোট থেকে মুজফ্ফরাবাদ পৌঁছবে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, তা দেখার।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - World. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - World

Read Previous

Suvendu Adhikari: 'আপনাদের...

Read Next

Gold Silver Price Drop: অনেকটা...