Titan by Tata: বিরাট ঝুঁকি নিয়ে টাইটানের শুরু, আজ দেশের অন্যতম বড় লাইফস্টাইল সংস্থায় পরিণত হয়েছে JRD Tata-র টাইটান

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: ঘড়ি কিনতে গেলে আজ টাইটানের বাইরে ভারতীয়রা খুব বেশি কিছু ভাবেন না। টাইটান, সোনাটা, ফাস্ট্র্যাক বা পোজ, সব ব্র্যান্ডই আসলে টাইটানের অধীনে। কিন্তু এই সাফল্য কিন্তু একদিনে আসনি।

কলকাতা: ঘড়ি কিনতে গেলে আজ টাইটানের বাইরে ভারতীয়রা খুব বেশি কিছু ভাবেন না। টাইটান, সোনাটা, ফাস্ট্র্যাক বা পোজ, সব ব্র্যান্ডই আসলে টাইটানের অধীনে। কিন্তু এই সাফল্য কিন্তু একদিনে আসনি। এর পিছনে রয়েছে এক দূরদর্শী পরিকল্পনা, প্রযুক্তিগত বিপ্লব এবং দেশীয় উৎপাদনের উপর আস্থা রাখার এক অনন্য গল্প। ১৯৮৪ সালে টাটা গোষ্ঠীর তৎকালীন কর্ণধার জে আর ডি টাটা এবং টাটা সংস্থার একজন এগজিকিউটিভ জারক্সেস দেসাইয়ের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করে টাইটান। যা পরবর্তীতে দেশের অন্যতম বৃহৎ লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডে পরিণত হয়।

আরও পড়ুন: ইলেকট্রিক নাকি ICE, ডিজাইন থেকে পারফরম্যান্স, টাটা সিয়েরার কোন ভ্যারিয়েন্ট কোনদিকে এগিয়ে?

আশির দশকের শুরুতে ভারতের ঘড়ির বাজার ছিল সীমিত এবং মূলত চোরাইপথে আসা বিদেশি ঘড়ি অথবা সরকারি সংস্থার তৈরি সাধারণ ডিজাইনের দম দেওয়া ঘড়ির উপর নির্ভরশীল। জে আর ডি টাটার স্বপ্ন ছিল বিশ্বমানের একটি ঘড়ি সম্পূর্ণভাবে ভারতে তৈরি করা। সেই লক্ষ্যেই সরকারি সংস্থা তামিলনাড়ু ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (TIDCO)-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে হোসুরে অত্যাধুনিক ঘড়ি উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। সংস্থার নামকরণ করা হয় টাইটান। আজও টাইটানে ২৮ শতাংশের কাছাকাছি অংশীদারিত্ব রয়েছে তামিলনাড়ুর এই সরকারি সংস্থার।

১৯৮৭ সালে বাজারে আসে টাইটানের প্রথম ঘড়ি। সংস্থাটি প্রচলিত যান্ত্রিক প্রযুক্তির পরিবর্তে আধুনিক কোয়ার্টজ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারতীয় বাজারে এক নতুন যুগের সূচনা করে। ইউরোপীয় ধাঁচের আকর্ষণীয় ডিজাইন, নির্ভরযোগ্যতা এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে দাম—এই তিনের সমন্বয়ে টাইটান দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ঘড়ি আর শুধু সময় দেখার যন্ত্র নয়, বরং ফ্যাশনের অংশ হিসেবেও পরিচিতি পেতে শুরু করে।

আরও পড়ুন: ইলেকট্রিক গাড়ির পর এবার MG-এর প্লাগ-ইন হাইব্রিড, কতটা জনপ্রিয় হবে এই SUV?

ঘড়ির ব্যবসায় সাফল্যের পর টাইটান ধীরে ধীরে নিজেদের কার্যক্ষেত্র বিস্তৃত করে। ১৯৯৪ সালে চালু হয় তনিষ্ক, যা ভারতের অসংগঠিত গয়নার বাজারে ব্র্যান্ডেড ও মানসম্মত অলংকারের ধারণা নিয়ে আসে। পরে আইওয়্যার ব্যবসায় প্রবেশ করে টাইটান আইপ্লাস। একই সঙ্গে সোনাটা, ফাস্ট্র্যাক এবং টাইটান এজের মতো ব্র্যান্ডও বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

মাত্র ১০ কোটিরও কম বিনিয়োগে শুরু হওয়া টাইটানের আজ ২ হাজারের বেশি শোরুম রয়েছে। এর ফলে টাইটান ভারতের অন্যতম বৃহৎ লাইফস্টাইল সংস্থায় পরিণত হয়েছে। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটানো টাইটান আজ ভারতীয় শিল্প জগতের এক অনন্য সাফল্যের প্রতীক।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Tech. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Tech

Read Previous

PPF Magic Plan : মাসে ১২,৫০০...

Read Next

Anti Social Activities Bill : গুণ্ডা...