We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Viral Video: শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে ৯ কিলোমিটার হাঁটলেন বধূ, পেনশনের ১৫০০ টাকা হাতে পেতে
রায়পুর: শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে পেনশন তুলতে গেলেন বৌমা। কয়েক মিটার নয়, শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে ন’কিলোমিটার হাঁটলেন। মাথার উপর গনগনে সূর্য, সেই অবস্থায় কখনও জঙ্গল, কখনও পাথুরে রাস্তা ধরে হেঁটে গেলেন। মর্মান্তিক এই ছবি সামনে এল ছত্তীসগঢ় থেকে। (Woman Carries Mother-in-law on Back)
ছত্তীসগঢ়ের সরগুজা জেলার মৈনপাট অঞ্চল থেকে এই ঘটনা সামনে এসেছে। এই ঘটনায় আবারও গ্রামীণ এলাকায় জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তব অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেন কোনও যানবাহন জুটল না, কেন কোনও সাহায্য পেলেন না ওই দুই মহিলা, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। (Viral Video)
What is our government doing then?
— Dr Kaalika (@DrKaalika) May 24, 2026
A tribal woman from Chhattisgarh's Surguja carried her
90-year-old mother-in-law on her shoulders and walked
5 km in the scorching heat to avail herself of her pension money pic.twitter.com/CXtVJjqAgL
প্রবীণ শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যায় যে মহিলাকে, তাঁর নাম সুখমনিয়া বাই। ন’কিলোমিটার দূরের ব্যাঙ্কে পেনশন তুলতে শাশুড়িকে নিয়ে যেতে হতো। কোনও উপায় না দেখে শাশুড়িকে পিঠে তুলে নেন সুখমনিয়া। সেই অবস্থায় হাঁটা শুরু করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গল এলাকায় যানবাহনের সুযোগ-সুবিধা নেই। দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটেই পাড়ি দেন স্থানীয় মানুষজন।
স্থানীয়দের দাবি, এই প্রথম নয়। গত কয়েক মাসে একাধিক বার এভাবেই শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে ব্যাঙ্কে পৌঁছন সুখমনিয়া। কারণ পেনশন বিধি অনুযায়ী, পেনশনের অধিকারী ব্যক্তিকে সশরীরে ব্যাঙ্কে উপস্থিত থাকতে হয়। আঙুলের ছাপ দিতে হয় তাঁকে। টাকা হাতে পাওয়ার আগে পরিচয় যাচাই করাতে হয়।
সুখমনিয়া শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে হাঁটার সময় এক ব্যক্তি গোটা দৃশ্য ক্যামেরায় বন্দি করেন। তাঁদের মধ্যেকার কথোপকথন নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। কেন শাশুড়িকে পিঠে নিয়ে হাঁটছেন, জানতে চাওয়া হয়। জবাবে সুখমনিয়া জানান, সশরীরে শাশুড়িকে নিয়ে গেলে তবেই মিলবে পেনশন। এলাকায় কোনও সুযোগ-সুবিধা নেই। তাই পাহাড়ি রাস্তা, নদী পেরিয়ে যেতে হয়।
আরও পড়ুন: ফলতায় ডায়মন্ড হারবার মডেল ভেঙে চুরমার, বিপুল ভোটে জয়ী বিজেপি, তৃণমূল নেমে এল চতুর্থ স্থানে
সুখমনিয়া জানান, মাসে ১৫০০ টাকা পেনশন পান তাঁর শাশুড়ি। কখনও কখনও কয়েক মাসের টাকা একবারে দিয়ে দেওয়া হয়। আগে স্থানীয় এলাকা থেকেই পেনশন মিলত। কোনও ঝামেলা ছিল না। কিন্তু এখন দীর্ঘ পথ পেরিয়ে যেতে হয়।
ওই ভিডিও সামনে আসতেই সাড়া পড়ে গিয়েছে নেট দুনিয়ায়। শারীরিক ভাবে অক্ষম হয়ে পড়া বৃদ্ধাকে কেন কষ্ট করে ব্যাঙ্কে যেতে হবে, কেন গাড়ি পাবেন না, প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। ছত্তীসগঢ় থেকে উঠে আসা ওই ভিডিও সরকারি ঘোষণা এবং বাস্তব পরিস্থিতির ফারাক বুঝিয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন তাঁরা। ডিজিটাল ইন্ডিয়া নিয়ে যেখানে এত প্রচার, কেন প্রত্য়ন্ত এলাকায় ন্যূনতম পরিষেবা পৌঁছবে না, প্রশ্ন উঠছে।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Offbeat. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
পম্পা অধিকারী সিংহ