E20 Petrol: ইথানল মিশ্রিত E20 পেট্রোল কেনায় আপত্তি, ভারতকে জানিয়ে দিল ভুটান, কারণ কী?

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
নয়াদিল্লি: ভারতের কাছ থেকে ইথানল মিশ্রিত E20 জ্বালানি কিনতে অস্বীকার করল ভুটান। বরং আগের মতো ‘স্বাভাবিক’ জ্বালানি সরবরাহ করতে আর্জি জানাল তারা।

নয়াদিল্লি: ভারতের কাছ থেকে ইথানল মিশ্রিত E20 জ্বালানি কিনতে অস্বীকার করল ভুটান। বরং আগের মতো ‘স্বাভাবিক’ জ্বালানি সরবরাহ করতে আর্জি জানাল তারা। ভুটান জানিয়েছে, ভারতের বাজারে যতদিন ‘স্বাভাবিক’ জ্বালানির থাকবে, ততদিন তা-ই কিনবে তারা। (Bhutan Declines E20 from India)

Indian Oil Marketing Companies (OMCs)-এর তরফে ভুটানকে E20 জ্বালানি কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাব ভুটান অস্বীকার করেছে। দেশের সংবাদমাধ্যম The Bhutanese জানিয়েছে, ভারতের কাছ থেকে আগের মতো ‘স্বাভাবিক’ জ্বালানি কিনতেই আগ্রহী ভুটান। (E20 Petrol)

আরও পড়ুন: ‘ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে…’, ইরানে আলি খামেনেইয়ের শেষযাত্রায় জনসমুদ্র, পাশের ছোট্ট কফিনে কে?

E20 পেট্রোলের উপর জোর ভারতের

আমদানিকৃত তেলের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে E20-র উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বার বার জানিয়েছে ভারত। আগামী দিনে ইথানলের মাত্রা বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ করার লক্ষ্যমাত্রাও রাখা হয়েছে। কিন্তু ভুটান ইথানল মিশ্রিত তেল কিনতে আগ্রহী নয়। 

The Bhutanese জানিয়েছে, ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল মজুত বা ‘হ্যান্ডল’ করার মতো পরিকাঠামো এই মুহূর্তে নেই ভুটানের কাছে। দেশের ভৌগলিক এবং পরিকাঠামোগত বিষয়গুলিকে মাথায় রেখেই এই মুহূর্তে E20 পেট্রোল কেনার কথা ভাবা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: 'আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের চরম বিরোধী, কিন্তু তাঁর থেকে সুবিধা নিয়ে আজ যাঁরা...' বললেন নৌশাদ সিদ্দিকি

কেন E20 পেট্রোল কিনতে রাজি নয় ভুটান?

ইথানলের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হল, সেটি হাইড্রোস্কোপিক। অর্থাৎ পরিবেশ থেকে আর্দ্রতা শুষে নেয়। তাই ভুটানের যুক্তি, সাধারণ পেট্রোলের তুলনায় ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল মজুত করা অনেক বেশি কষ্টকর। কোনও কারণে জলের সংস্পর্শে এলে ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ভিন্ন ভিন্ন স্তরে ভাগ হয়ে যেতে পারে, যা জ্বালানির গুণমান হ্রাস করবে এবং তার প্রভাব পড়বে ইঞ্জিনের উপরও। ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা হ্রাস পাবে।

ভুটানের অধিকাংশ তৈল সংরক্ষণ কেন্দ্রই পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে জ্বালানি চুঁইয়ে পড়া বা আর্দ্রতার সমস্যা পুরোপুরি রোখা সম্ভব নয়। ফলে ট্যাঙ্কে জল মিশে জ্বালানি দূষিত হয়ে যেতে পারে। The Bhutanese-এর দাবি, সবদিক খতিয়ে দেখেই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন আধিকারিকরা। তাঁদের মতে, যেসব গাড়ি E20-র উপযুক্ত নয়, তাতে ইথানল মিশ্রিত পেট্রোল ঢাললে বাড়তি খরচ হতে পারে। গাড়ির যন্ত্রাংশ পরিবর্তন থেকে আর্দ্রতার মোকাবিলায় জ্বালানির গুণমান রক্ষকারী রাসায়নিক মেশাতে হতে পারে। ফলে অতিরিক্ত ৫ থেকে ১০ হাজার খরচ হবে। 

ভারতে সাধারণ পেট্রোলের যা দাম, সেই তুলনায় E20-র দামেও বিশেষ হেরফের নেই। তাই একই দাম দিয়ে কম মাইলেজ দেওয়া জ্বালানি কিনতে গ্রাহকরা আগ্রহী হবেন না বলেও মত ভুটানের।

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Business

Read Previous

Mamata Banerjee FB LIVE: মমতার...

Read Next

Rs 200 Note : আসল ভেবে নকল...