We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Petrol-Disel Crisis: পেট্রোল-ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে নয়া নিয়ম, কারা ঝুঁকিতে ? গাড়ি ও বাইক মালিকদের কী কী পরিবর্তন ঘটছে ?
কলকাতা : মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম দিন দিন বেড়েই চলছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োনীয় জিনিস সহ রান্নার গ্যাসেরও। গত এক মাসে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম চারগুণ বেড়েছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। আর এরই মাঝে, কেন্দ্রীয় সরকার এখন পেট্রোল ও ডিজেল সংক্রান্ত কিছু নিয়ম পরিবর্তন করেছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, এই নিয়মগুলো পেট্রোল ও ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে কী কী প্রভাব পড়বে।
পেট্রোল ও ডিজেলের নতুন নিয়মগুলো কী কী ?
পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির পর সরকার এখন এগুলোর কেনার নিয়মেও পরিবর্তন এনেছে।
১. শিল্প, বাণিজ্যিক ও প্রাতিষ্ঠানিক গ্রাহকরা এখন থেকে পেট্রোল পাম্পের পরিবর্তে কনজিউমার পাম্প থেকে পেট্রোল ও ডিজেল কিনবেন।
২. পেট্রোল পাম্পগুলো এখন থেকে শুধুমাত্র গাড়ির ট্যাঙ্কে অথবা PESO কর্তৃক অনুমোদিত কোনও ট্যাঙ্কে ডিজেল সরবরাহ করবে।
৩. একজন গ্রাহক বা একটি গাড়ি বা বইক দিনে ২০০ লিটারের বেশি ডিজেল পাবে না।
৪. পাম্প থেকে ডিজেল কিনে তা পুনরায় বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হবে না।
৫. তেল কোম্পানি ও পাম্প ডিলারদের এই সমস্ত নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে।
আরও পড়ুন - ৩০ হাজার কোটির ক্ষতি ! বাড়তে চলেছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ?
নিয়ম লঙ্ঘনের ফলে কোন শাস্তি হবে ?
১. ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন এবং অন্যান্য প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী এই নিয়ম না মানলে শাস্তি পেতে হবে।
২. কে মানছে, আর কে মানছে না, সেই নজরদারির জন্য সরকারি অফিসারদের নিয়োগ করা হবে।
৩. কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের গেজেটেড কর্মকর্তা, ডিএসপি ও তার উপরের পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা এবং তেল কোম্পানির বিক্রয় কর্মকর্তাদের তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
৪. রাজ্য সরকারগুলিকে মজুতদারি, কালোবাজারি এবং পণ্য অন্যত্র সরিয়ে ফেলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
নিয়মের পরিবর্তনের প্রভাব কাদের উপর পড়বে ?
পেট্রোল-ডিজেল ক্রয়ের নতুন নিয়ম সাধারণ মানুষের উপর তেমন প্রভাব ফেলবে না। আপনি যদি নিজের গাড়ি বা বাইকে তেল ভরেন, তবে আপনার জন্য কোনও পরিবর্তন হয়নি। সাধারণ গ্রাহকদের জন্য কোনো বিধিনিষেধ নেই। দৈনিক ২০০ লিটারের সীমাটি কোনও সাধারণ যানবাহন মালিকদের জন্য নয়, কারণ যানবাহনের ট্যাঙ্কগুলো ২০০ লিটারের হয় না, এর চেয়ে অনেক ছোট হয়। তবে প্রশ্ন উঠছে কাদের জন্য এই নির্দেশ? কেন এই সিদ্ধান্ত?
সরকারের এই আদেশের মূল উদ্দেশ্য হল যে সব ক্রেতারা কম দামের সুযোগ নিয়ে পাম্প থেকে বিপুল পরিমাণে জ্বালানি কিনছিল, তাদের নিয়ন্ত্রণ করা। সরকারের আসল উদ্দেশ্য হল এটা নিশ্চিত করা যে, সাধারণ মানুষ যেন পাম্পে জ্বালানি সঠিক ভাবে পায় এবং কোনও ঘাটতি না হয়।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Business. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
অরিন্দম প্রধান