We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Secularism Missing in NCERT Book: সংবিধানের মুখবন্ধ, ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ, পাঠ্যবইয়ে ‘মনুস্মৃতি’র উল্লেখ, নির্বাচন কমিশন, SIR-প্রশস্তি, ফের বিতর্কে NCERT
নয়াদিল্লি: পাঠ্যবই থেকে বাদ গেল সংবিধানের মুখবন্ধ। ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বা ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ও বাদ গেল। বরং পাঠ্যবইয়ে জায়গা পেল ‘মনুস্মৃতি’র শ্লোক। National Council of Educational Research and Training (NCERT)-এর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। (NCERT Textbook Row)
নবম শ্রেণির সমাজ বিজ্ঞান বইয়ে ব্যাপক রদবদল ঘটিয়েছে NCERT. এতদিন আলাদা আলাদা যে সব বই ছিল, সেগুলির পরিবর্তে ইতিহাস, ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি নিয়ে একটি সামগ্রিক ভলিউম প্রকাশিত হয়েছে। সেই ‘Understanding Society: India and Beyond-Part 1’ বইটি ঘিরেই বিতর্ক চরমে। (Secularism Missing in NCERT Book)'
পাঠ্যবইয়ে নেই সংবিধানের মুখবন্ধ, ধর্মনিরপেক্ষতা
নবম শ্রেণির আগের বইয়ে যেখানে সংবিধানের সম্পূর্ণ মুখবন্ধ ছিল, সেটি বাদ গিয়েছে নতুন বই থেকে। ‘Secular’, ‘Secularism’-এর শব্দের উল্লেখ নেই কোথাও। অথচ আগের বইয়ে ‘Sovereign’, ‘Socialist’, ‘Secular’, ‘Republic’, ‘Democratic’-দেশের মূল ভিত্তিগুলির অর্থ ব্যাখ্যাও ছিল পৃথক ভাবে।
নবম শ্রেণির আগের বইয়ে ‘Secularism’ বলতে এমন রাষ্ট্রের ব্যাখ্যা ছিল, যেখানে সরকারি ভাবে কোনও ধর্ম প্রাধান্য পাবে না, বরং প্রত্যেক ধর্মকে সমান সম্মান জানানোর কথা বলা হয়েছিল। নতুন বইয়ে সেসবের কোনও উল্লেখ নেই, পরের শ্রেণিতে থাকবে কি না, সেই নিয়েও কোনও ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।
নির্বাচন কমিশন, SIR-এর প্রশংসা
আগের পাঠ্যবইয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্বাধীন ভাবে কাজ করার অধিকার, তাদের শক্তির কথা ব্যাখ্যা করা ছিল। নতুন বইয়ে একটি গোটা অধ্য়ায় রয়েছে, যেখানে নির্বাচন কমিশন, ভোটার তালিকা, ভোটার নথিভুক্তিকরণ, নির্বাচন প্রক্রিয়ার উল্লেখ রয়েছে। ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে লেখা হয়েছে, কোনও যোগ্য নাগরিক যাতে ভোটারতালিকা থেকে বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ যাতে তাতে জায়গা না পান, তার জন্য SIR. নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করে বলা হয়েছে, ভুয়ো খবর, অপতথ্য এবং ভীতি প্রদর্শনের মতো প্রতিবন্ধকতা পেরিয়েও নিরপেক্ষ ভোট করায় কমিশন। SIR নিয়ে হাজারো বিতর্ক আগে থেকেই। ফলে পাঠ্যবইয়ের ওই অংশ নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে।
পাঠ্যবইয়ে 'মনিস্মৃতি'র উল্লেখ
আরও একটি বিষয় বিতর্ক উস্কে দিয়েছে, যা হল ‘মনুস্মৃতি’র উল্লেখ। প্রাচীন ভারতে মহিলাদের স্থান বোঝানোর ক্ষেত্রে ‘মনুস্মৃতি’র শ্লোক তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, বৈদিক যুগে মহিলারা সম্মান পেতেন। রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিবর্তনের সঙ্গে মহিলাদের সামাজিক অবস্থানেরও উত্থান-পতন ঘটেছে।
নতুন বইয়ে বর্ণ এবং জাতি নিয়ে যে অধ্য়ায়টি রয়েছে, তাতে বলা হয়েছেস বৈদিক যুগে সামাজিক পরিচিতি জন্মের উপর নির্ভরশীলছিল না। প্রাচীন বৈদিক সাহিত্য় থেকে জানা যায় যে, সামাজিক পরিচিতির নেপথ্যে থাকত পেশা, জাতিসত্তা, অঞ্চল, ভাষা এবং সংস্কৃতি। নতুন বইটিতে ‘ঋগ্বেদে’র শ্লোক রয়েছে যেমন, রয়েছে বৌদ্ধ গ্রন্থ ‘সুতা-নিপাতা’র উল্লেখও। জন্মগত ভাবে কেউ নীচু জাতের হয় না, কর্মই সামাজিক পরিচিতি গড়ে তোলে। ব্রাহ্মণ তাঁর কর্মের মধ্যে দিয়ে ব্রাহ্মণ হয়ে ওঠেন। আন্তঃবিবাহ, আঞ্চলিক পার্থক্য এবং নতুন নতুন পেশার জেরেই জাতিব্যবস্থা জটিল হয়ে ওঠে।
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Education. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
পম্পা অধিকারী সিংহ