We currently don't have news in this language. Please choose another language.
Shiboprosad-Nandita: নতুন পরিচালক-অভিনেতাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন নন্দিতা-শিবপ্রসাদ, আসছে নতুন সিনেমা
কলকাতা: একঝাঁক নতুন অভিনেতা অভিনেত্রী, পরিচালক ও নতুন! তাঁদের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shiboprosad Mukherjee) এবং নন্দিতা রায় (Nandita Roy)। ১০ জুলাই নন্দনে মুক্তি পাচ্ছে, নতুন সিনেমা, 'গেট আপ কিংশুক' (Get Up Kingshuk)। একজন স্বাধীন পরিচালক হিসেবে ছবিটি তৈরি করেছেন, নন্দন ঘোষ (Nandan Ghosh)। এর আগে, উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থায় কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে নন্দনের, তবে এই ছবিটি সম্পূর্ণভাবে তাঁর নিজের পরিচালনা। ছবিতে অভিনয় করেছেন যাঁরা, তাঁরাও প্রথম সারির অভিনেতা অভিনেত্রী নন। তাহলে কেন এই ছবিটির ওপর ভরসা রাখলেন শিবপ্রসাদ-নন্দিতা?
নতুন পরিচালক-অভিনেতাদের ওপরে ভরসা রাখছেন শিবপ্রসাদ-নন্দিতা
শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বলছেন, 'স্বাধীনভাবে কাজ করা পরিচালকরা ছবি রিলিজের জন্য ২ দিন সময় পায়। ছবি রিলিজ ১০ তারিখ। প্রমোশন শুরু ৪৮ ঘন্টা আগে। ২০২৫-এর Kolkata International Film Festival-এ Bengali Panorama section-এ অফিসিয়াল সিলেকশন পেয়েছিল নন্দিতাদি এবং আমার সহকারী নন্দন ঘোষের প্রথম পরিচালিত পূর্ণ্যদৈর্ঘ্যের ছবি ‘Get Up Kingshuk’... এক ঝাঁক নতুন মুখ আর নিজেদের জমানো পুঁজি নিয়েই রবিবার এবং বাকি ছুটির দিনগুলোতে নন্দন এবং তার টিম এই সিনেমাটি তৈরী করেছে বেশ কিছু বছর ধরেই। এ বিষয়ে নন্দিতাদি বা আমি কিছুই জানতাম না। তাই যখন ছবিটি ফেস্টিভালে সিলেকশনের খবর আমাদের কাছে এলো আমরা প্রথমে তো অবাকই হয়েছিলাম। তারপর রবীন্দ্রসদনে ভরা প্রেক্ষাগৃহে আমরা ছবিটি দেখলাম। তার সাথে সাথে দর্শকদের উচ্ছাস দেখে এটাই আবার প্রমানিত হল যে সিনেমায় পুঁজি নয়, Content is the real king… ঠিক এই ভাবেই তো আমরাও আমাদের সিনেমার যাত্রা শুরু করেছিলাম ১৫ বছর আগে। যদি সৎ ভাবে একটি গল্প ভালোবেসে বানানো হয় তাহলে সেই ছবি তার দর্শককে ঠিক খুঁজে পাবেই। আর এই ভাবেই তো বার বার তৈরী হয়েছে নতুন পরিচালক, নতুন প্রযোজক, নতুন কলাকুশলী এবং নতুন অভিনেতারা। ১০ই জুলাই নন্দন ২-তে মুক্তি পাচ্ছে ‘Get Up Kingshuk’… আপনারা আসুন এবং একটি মজার বাংলা ছবি উপভোগ করুন।'
নতুন সিনেমা নিয়ে কী বলছেন পরিচালক?
ছবির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন, নন্দন ঘোষ। অভিনয়ে সাহির রাজ, ভাগ্যশ্রী রায়চৌধুরী, দ্বিপান্বিতা দাস, সন্দীপন তপাদার, অনুতর্স মুখোপাধ্যায়, অরূপ কর এবং অন্যান্যরা। ছবির পরিচালক নন্দন বলছেন, 'সিনেমাটার মতোই, ছবি তৈরির গল্পটাও ভীষণ মজাদার। আমরা একটা ফ্ল্যাটে ৩ বন্ধু থাকতাম। তখনই একটা ছবি তৈরির পরিকল্পনা করি। ৫টা রবিবারে শ্যুটিং শেষ করব, এটাই পরিকল্পনা হয়। পুঁজি ছিল না তাই কাস্টিং করি বন্ধুদেরই। প্রতি রবিবার শ্যুটিং করতাম বিভিন্ন জায়গায়, তারপরে এডিটিং, কালার। আমার জীবনে একটা সমস্যা হল, ঘুম। লেট মিলেনিয়াল আর জেন জি-দের এটা একটা বড় সমস্যা। সময়ে উঠতে পারি না, টাইম ম্যানেজ করতে পারি না। তখন মনে হয়, এটাই তো ছবি তৈরির একটা মজার টপিক হতে পারে। কিছুটা টেলিফিল্ম ধাঁচের সিনেমা তৈরি হয়। হয়তো ছবিটার কপালে ছিল দর্শকদের কাছে পৌঁছে যাওয়া। KIFF-এ ছবিটা মনোনীত হয়, প্রশংসা পায়। শিবপ্রসাদ স্যর আর নন্দিতাদিকে ভয়েই বলিনি সিনেমাটা করছি। যখন ছবিটা KIFF-এ মনোনীত হয়, তখন ওঁদের বলি। খুব প্রশংসা পেয়েছিলাম। প্রথম পরিচালক হিসেবে আমার কাছে একটা খুব বড় প্রাপ্তি আমার। শুধু কলকাতার মানুষ নয়, এ ছবি মফঃস্বলের ছেলেমেয়েদের গল্পও বলে।'
Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Entertaiment. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.
তোর্ষা ভট্টাচার্য্য