West Bengal Lokayukta: ভেঙে দিতে হবে বেআইনি নির্মাণ, দিতে হবে ক্ষতিপূরণও! ১৮ বছর পরে বিচার পেলেন গৃহবধূ

Audio Narrative Assistant
Executive Summary
কলকাতা: প্রাক্তন প্রধান, উপপ্রধান সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে শুরু করতে হবে ফৌজদারি মামলা। বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে অভিযোগকারিণীকে। প্রায় ১৮ বছর আগের দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি মামলায় ডায়মন্ড হারবারের মহকুমাশাসককে কড়া সুপারিশ করলেন পশ্চিমবঙ্গ লোকায়ুক্তের বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ

কলকাতা: প্রাক্তন প্রধান, উপপ্রধান সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে শুরু করতে হবে ফৌজদারি মামলা। বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি, ক্ষতিপূরণ দিতে হবে অভিযোগকারিণীকে। প্রায় ১৮ বছর আগের দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি মামলায় ডায়মন্ড হারবারের মহকুমাশাসককে কড়া সুপারিশ করলেন পশ্চিমবঙ্গ লোকায়ুক্তের বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত।

বেআইনি নির্মাণ ভেঙে, জমি ফেরতের নির্দেশ

অভিযোগ, জমি দখল করে বেআইনি নির্মাণের। থানা-পুলিশ-পঞ্চায়েত, সর্বত্র অভিযোগ জানিয়েও বিচার পান নি এক গ্রাম্য গৃহবধূ। সেই ঘটনাতেই প্রায় ১৮ বছর পর কড়া অবস্থান নিল পশ্চিমবঙ্গ লোকায়ুক্ত। জোর করে জমি দখল করে তাতে বাড়ি নির্মাণের দায়ে অভিযুক্ত প্রতিবেশী, এবং তাকে মদত দেওয়ার দায়ে এলাকার প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান এবং প্রাক্তন উপপ্রধানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরুর সুপারিশ করেছে লোকায়ুক্ত। বেআইনি নির্মাণ ভেঙে অভিযোগকারিণীকে চাঁর জমি ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ করেছেন বিচারপতি সামন্ত। 

কী বললেন বিচারপতি?

সুপারিশ পাঠানো হয়েছে, ডায়মন্ড হারবারের মহকুমাশাসকের কাছে। ঘটনাটি ঘটেছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার চাঁদপুর-চৈতন্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। লোকায়ুক্ত বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে - ভারতী হালদার নামে এক মহিলা দাবি করেন, মন্দিরবাজারের দিগবেড়িয়া গ্রামে ১৯৮৯ সালে কয়েক কাঠা জমি কেনেন। অভিযোগ, প্রতিবেশী দেবেন্দ্রনাথ হালদার জোর করে সেই জমিতে পাকা বাড়ি তৈরি করেন। ২০০৮ সালের ১১ মে ভারতী মন্দিরবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি জিডি হিসাবে নথিভুক্ত করে থানা। প্রধান মানসী হালদার ও উপপ্রধান অজিত নস্করের সঙ্গে একাধিকবার দেখাও করেন। কিন্তু বেআইনি নির্মাণ বন্ধে পঞ্চায়েত কোনও পদক্ষেপ করেনি। মহিলার অভিযোগ, উল্টে অভিযুক্তকে বাড়ি বানানোয় সাহায্য করেন তাঁরা।

কড়া অবস্থান নিল পশ্চিমবঙ্গ লোকায়ুক্ত

২০১২ সালে বিষয়টি হাইকোর্টে গড়ালে আদালত প্রধানকে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দেয়। কিন্তু তাও কার্যকর হয়নি। ২০০৯ সালে মামলাটি লোকায়ুক্তের কাছে আসে। লোকায়ুক্তর রিপোর্টে বলা হয়েছে - ২০০৯ এর ১৬ ফেব্রুয়ারি লোকায়ুক্ত বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সম্পর্কে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের সভাধিপতির মতামত জানতে চাওায় হয়। কিন্তু তার পর থেকে ২০১৯ পর্যন্ত রাজ্যে কোনও লোকায়ুক্ত না থাকায় বিষয়টি এগোয়নি। ২০১৯ এর জানুয়ারিতে ফের লোকায়ুক্ত নিয়োগের পর শুরু হয় বয়ান নেওয়া। সাক্ষী হিসাবে বয়ান নেওয়া হয় তৎকালীন পঞ্চায়েত প্রধান, বিডিও মন্দিরবাজার এবং ভূমি ও ভূমি রাজস্ব অফিসারের। ডায়মন্ড হারবারের এসডিও-র সঙ্গেও কথা বলা হয়। সেই মামলাতেই এবার কড়া অবস্থান নিল পশ্চিমবঙ্গ লোকায়ুক্ত। 

আরও পড়ুন: West Bengal Live Blog: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রেড রোডে উপস্থিত নরেন্দ্র মোদি, শুভেন্দু অধিকারী

Disclaimer: This content is aggregated dynamically from public feeds distributed by ABP Ananda - Districts. It has not been created, edited, or verified by our team. View our full terms on the policy page.

Published Via: ABP Ananda - Districts

Read Previous

National Yoga Day 2026: "বঙ্গে...

Read Next

West Bengal Live Blog:...